প্রতিদিন প্রতিরাতে নির্জন নিহারিকা স্থানে একাকী বসে আল্লাহর সত্তার বাক্যালাপ করা একজন মুমিনের গুণাবলীর মধ্যে অন্যতম সে রাতে স্রষ্টার সৃষ্টির নিয়ে গবেষণা করা যা একজন প্রকৃত মুমিনের জন্য কর্তব্য।
পৃথিবীতে অনেক মাখলুক আছে যারা নিজ নিজ জায়গায় নিজ নিজ পদ্ধতিতে আল্লাহর গুনগান গেয়ে থাকে।
কিন্তু মানুষ এমন এক সৃষ্টি যে তার প্রভুর গুনগান গাইতে চায়না।
এর মূল কারণ কি?
আজকে বর্তমান সময় বাচ্চা থেকে শুরু করে বয়স্ক পর্যন্ত সবাই মোবাইল আসক্ত। এর মূল কারণ হচ্ছে সোশ্যাল আডিকশন।
ঘরে খাবার না থাকলে যে টেনশন হয়না সে টেনশন মোবাইল চার্জ না থাকলে তার চাইতে বড় টেনশন হয়, যদি কিছু সময়ের জন্য যদি কারেন্টে না থাকে তাহলে আরো বড় টেনশন।
বর্তমানে সব থেকে বড় হাতিয়ার যেটা সমাজের যুবক এবং পুরো সমাজকে ধ্বংস করার জন্য যথেষ্ট।
এক সময় টিক টক নামে এক প্লাটফর্ম ছিল যেটা কিছু সময়ের জন্য হলে পুরো বিশ্বকে নাচাতে বাধ্য করেছিল।
বর্তমান সময়ে অনেক দেশে বান্ড হওয়া সত্ত্বেও বর্তমান প্রজন্মের যুবক এতটাই এডভ্যান্স যে তারা সেটাকে কিভাবে চালাতে হবে সেটা তাদের চাইতে কেউ ভালো বুঝেনা। শুধু টিক টক একই প্ল্যাটফর্মের আরও অনেক সোশ্যাল প্লাটফর্ম আছে যেটা ব্যবহার করে বর্তমান সময়ের ইয়ং জেনারেশন একেবারে শেষের পথে।
বর্তমানে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, স্ন্যাপচ্যাটের মতো আরও অনেক প্লাটফর্ম আছে যেটা একই পাতার ব্ল্যাক সাইড।
যেখানে যুবকেরা একেবারে শেষ হয়ে যাচ্ছে বরঞ্চ আমি বলতে চাই এগুলো সব সমাজের জন্য এগুলো পরমাণু বোমার চাইতে ধারালো অস্ত্রের চাইতেও ভয়ঙ্কর। যেখানে ক্ষণিক সময়ের জন্য প্রবেশ করলে সেটা কখন ঘণ্টায় পরিণত হয় সেটা বলার অপেক্ষা রাখেনা।
শুধু সোশ্যাল প্লাটফর্ম কি যুবকদের নষ্ট করছে না আরও অনেক কিছু রয়েছে যেগুলো সমাজে যুবক যুবতীদের ধ্বংস করছে।
বর্তমান সময়ে যে আমাদের এডুকেশন সিস্টেম রয়েছে সেটাও অনেক বড় চ্যালেঞ্জ বর্তমান প্রজন্মের জন্য। কারণ যে শিক্ষাঙ্গন তৈরি হয়েছে সেটা শিক্ষাঙ্গন নয়। কারণ সেখানে যে Co-Education রয়েছে সেটা বড় চ্যালেঞ্জের যদি সেখানে প্রোপার গাইড না দেওয়া হয় তাহলে শেষ। Co-Education কে একেবারে খারাপ বলা যাবেনা সেখানে প্রপার গাইডের বিষয় রয়েছে।

